সিদ্দিকুর রহমান আজাদী
২০০৯ সালের মুসলিম বিবাহ ও তালাক( নিবন্ধন) বিধিমালা আইন অনুযায়ী আলিম পাস সার্টিফিকেট ছাড়া কেউ কাজী অফিসের সাইন বোর্ড লাগিয়ে এই মহান গুরুত্বপূর্ণ পেষায় দায়িত্ব পালন করতে পারবেনা।অথচ আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে কাজী অফিসের সাইন লাগিয়ে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে চলছে বিবাহের পবিত্র সম্পর্ক নিয়ে করছে রম রমা ব্যবসা।দূর্নীতির মাধ্যমে কাজী অফিসের ভলিয়ম বই নিয়ে যে নিজে কখনো ভলিয়ম এ লিখে না এবং অজ্ঞ সহকারীর উপর নির্ভরশীল, অবৈধ ভাবে অর্থ লেন -দেন এর মাধ্যমে প্রত্যেকটা সহকারি কম বয়সের ছেলে মেয়েকে কোর্টের হলফ নামার উপরে বয়স বৃদ্ধি করে ভলিয়ম বইয়ে উঠিয়ে কাবিন সম্পন্ন । পবিত্র বিবাহের মতো সম্পর্ককে আইন অনুযায়ী না করে কলংকিত করতেছে এই কান্ডজ্ঞানহীন অসচেতন প্রতিবন্ধী কাজী।
অজ্ঞতা মূর্খতা সীমা ছাড়িয়ে গেছে । ২০২৪ সালের বলিউম এখন পর্যন্ত অডিট করতে পারে নাই। টাকার বিনিময়ে, অডিট কতৃপক্ষ কে ম্যানেজ করে, নিজে লিখতে পারে না বাংলা, দেখে দেখে পড়তে পারেনা অজ্ঞ সহকারীর কাছে বই বিক্রি করা এই পাগল কাজী। কোট এফিডেভিট বিশেষ করে ৬ নং ওয়ার্ড ভাদাইল চৌরাস্তার মোড় আশুলিয়া ঢাকা। ইকবাল ও আল-আমিন সহকারি উল্লেখযোগ্য অথচ আইন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালে আইন অনুযায়ী কোন সহকারি গ্রহণযোগ্য নয় । কিন্তু এই আউয়াল পাগল কাজী কোন আইনকে তোয়াক্কা না করে অফিস কতৃপক্ষ ম্যানেজ করে চলছে। ।
সে বরাবরের নেয় আইন লংঘন করেই যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদান করা হউক।