মো: মাসুদ আলম সাগর, ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম বিভাগ
বেশ কিছুদিন যাবৎ চট্টগ্রাম শহরে মাদকের বেচাকেনা রমরমাট বিভিন্ন পাড়ায় মহল্লায় মাদক বিরোধী সভা-সেমিনার প্রতিনিয়ত হচ্ছে পুলিশের পক্ষ থেকেও সিটিজেন সদস্যদেরকে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সমাবেশ করেছে ইতিমধ্যে।
তবে কোনো ভাবেই থামছে না মাদক-কারবারীর মাদক বিক্রি গেল শুক্রবার পাহাড়তলী নোয়াপাড়া রেল লাইনের উপরে ৯ নং উত্তর পাহাড়তলী সিটিজেন ফোরামের সদস্য ও সিডিএ মার্কেট এর ব্যবসায়ী মোঃ আনোয়ার হোসেন এলাকার কিছু যুবকদেরকে সাথে নিয়ে মাদক- কারবারিদের কে ধাওয়া করলে,মাদক কারবারিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেন আনোয়ার ও তার সহযোগীদের উপরে। এ সময় আনোয়ার সহ গুরুতর আহত হন ৬-৭ জন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পাহাড়তলী থানা পুলিশ গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এই ঘটনায় গত শনিবার পাহাড়তলী থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী আনোয়ার পরবর্তীতে সাতজন আসামিকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায় থানা পুলিশ। আনোয়ারের উপরে হামলার নেতৃত্বে নাম আসে মোঃ আলমগীরের। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পশ্চিম জোনের ডিসি হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া পাহাড়তলী থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে জানান পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে মোঃ আলমগীরের মাদক কারবারের সাথে সম্পৃক্ততা পাওয়া গিয়েছে সাতজন আসামীকে আটক করা হয়েছে ইতিমধ্যে আলমগীর সহ বাকিদেরকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত শুক্রবার মাদক কারবারিদের হামলার জেরে নোয়াপাড়া এলাকাবাসী ও সিডিএ মার্কেট ব্যবসায়ীরা এক বিক্ষোভ মিছিল পালন করেন মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদর্শন করে একে খান রেলগেট গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা বলেন মাদক কারবারিরা হয়তো মাদক ছাড়বে না হয় এলাকা ছাড়বে। আমাদের আন্দোলন মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই এলাকায় মাদক কারবারিরা নির্মূল না হবে আমাদের আন্দোলন চলবে। বক্তারা পাহাড়তলী থানা পুলিশ ও ডিসি পশ্চিমকে ধন্যবাদ জানান সাতজন আসামিকে আটক করার জন্য ও বাকি আসামিদেরকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা। এই ঘটনায় সত্যতা যাচাইয়ের জন্য জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো অফিস থেকে মুঠোফোনে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলমগীর এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোটি বন্ধ পাওয়া যায়।