মেহেদী হাসান, আশুলিয়া:
আশুলিয়ায়
সেনাসদস্য পরিচয় দিয়ে ১৫ বছরের এক কিশোরিকে ধর্ষণ করার অভিযোগে হাসিবুল
ইসলাম তারেক নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছেন আশুলিয়া থানা
পুলিশ । ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে একাধিক বিয়ে করার কথাও জানা যায় ।
গত
শনিবার বিকেলে ভুক্তভোগী কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে আশুলিয়ার ডেন্ডার নতুন
পাড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ৩০জুন (রোববার) তাকে আদালতে প্রেরণ
করেন । গ্রেফতারকৃত হাসিবুল ইসলাম তারেক এর নিজ গ্রাম কুষ্টিয়া জেলায়
কুমারখালী থানায় দূর্গাপুর গ্রামে । ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকায় তারেক এর
বাবা ও মাকে আসামী করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ।
জানাযায়,
ভুক্তভোগী কিশোরী একই এলাকায় তার পরিবারের সাথে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস
করতেন । সে স্থানীয় একটি বে-সরকারী স্কুলে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী । মামলার
এজাহার সুত্রে জানাযায় সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ঐ কিশোরীর সাথে প্রেমের
সর্ম্পক গড়ে তোলে হাসিবুল ইসলাম তারেক ।
আরো জানাযায়,
গত ফেব্রুয়ারীতে কিশোরীকে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় এবং সাদা
স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে তারেক বলে যে, তাদের বিয়ে হয়ে গেছে । এর পর
তারেক এর বাবা-মা ঐ কিশোরীর বাসায় গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয় । কিন্তু মেয়ের
বয়স কম হওয়ায় প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে মেয়ের পরিবার । ভুক্তভোগী কিশোরীর
অবিভাবক বাসায় না থাকার সুযোগে তারেক প্রায়ই ঐ বাসায় কিশোরীকে ধর্ষণ করে
আসছিল । তারেক এর সন্দেহজনক চলাফেরায় খোজ নিয়ে জানাযায় সে সেনাবাহিনীর কোন
সদস্য নয় । সর্বশেষ ২৮ জুন ঐ কিশোরীকে ধর্ষণ করে হাসিবুল ইসলাম তারেক ।
ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করলে তাকে গ্রেফতার
করে আদালতে প্রেরণ করেন থানা পুলিশ ।
আশুলিয়া থানার
অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সায়েদ জানান,তারেক এর বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ের
কথা শুনেছি এবং দুইটি বিয়ের প্রমানও মিলেছে । সেনাসদস্য পরিচয় দিয়েই এ
ধরনের অপরাধ করে আসছিল দীর্ঘদিন যাবৎ । তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে
আদালতে পাঠানো হয়েছে ।