মোঃ মোজাম্মেল হক (সাদ্দাম)
গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ এরপর সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে — অগ্নিসংযোগ, মারামারি, কাটাকাটি ও অফিস ভাঙচুর হয়েছে বলে জানা গেছে।.
কদমতলী থানার বিশিষ্ট শিল্পপতি হাজী মো: সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ) সাহেবের কদমতলী স্টিল মেল লি: (কঝগখ) ও ৮নং টাউয়ার এবং বসত বাড়ি এ দুষ্কৃতিকারীরা আগুন দেয় বলে সুনতে পাই, সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় শত—শত কোটি টাকার মেল এখন শূন্যর কোঠায় দরিয়েছে।
দাযয়িত্বরত দারোয়ান এবং ম্যানেজারের কাছে জানতে চাইলে তারা যানান হঠাৎ করে ২৫০ থেকে ৩০০ মানুষ এসে আমাকে সহ আমাদের স্টাফগণকে মেরে মেল থেকে বের করে দেয়, এরপর তারা সেখানে ভাঙচুর করে এবং আমাদের গ্রাহকের চাহিদা অনুযাযী তৈরি রড এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ মেশিন, কম্পিউটার ও নগদ টাকা সহ গুরত্ব পূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যায় যার মূল্য প্রয় আনুমানিক ১১১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা এবং যওয়ার সময় আগুন দিয়ে যায়।
যেখানে কম র্করে ১হাজার এর অধিক সাধারণ মানুষ, জীবনযাপন করেন। স্থানীয় লোকদের কাছে থেকে জানা যায় তিনি সর্বদা হত—দরিদ্র মানুষকে সহায়তা করবেন কেউ বিপদে পড়ে তার কাছে গেলে তাকে ফিরিয়ে দেন না।
গত ইদুল আহার সময় শ্যামপুর বালুর মাঠের গরু-ছাগলের হাটের একজন সফল ইজারাদার ছিলেন, বর্তমানে হাজী মো: সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ) তিনি সততার সাথে শ্যামপুর কদমতলী ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকার মালিক সমিতির সভাপতি হিসাবে সততার দায়িত্বরত আছেন।
দুষ্কৃতিকারী গণ তার বসত বাড়িতে ঢুকে প্রায় সাড়ে নয় ভরি স্বর্ণলঙ্কার—সহ আনুমানিক ৮ লক্ষ ১৪ হাজার নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় বাসার সিসি ক্যামেরা ভেঙে সেখান থেকে হার্ডডিক্স ও দুটো কম্পিউটার নিয়ে বের হওয়ার সময় আগুন দিয়ে যায়, এতে তার বাসার একজন আহত হয়।
কদমতলী স্টিল মিল লি: (কঝগখ) এর মালিক মো: সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ) সাহেবের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করি না এবং আমার প্রতি যে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা সেটা অনেকের নিকট প্রতি—হিংসার এবং শত্রুতার কারণ,তাই প্রতিহিংসা এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হয়তোবা এমনটা ঘটিয়েছে বলে আমার মনে হয়।
বর্তমান দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে থানা এখনো মামলা করা হয়নি বলে জানা যায়।