টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে মাঠে নেমে শূন্য রানে আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত হলেন সৌম্য সরকার। তিনি আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে যৌথভাবে ১৩ বার শূন্য রানে আউট হওয়ায় এ রেকর্ডের অংশীজন।
এর আগে আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক পল স্টার্লিং আন্তর্জাতিক টি–২০ ক্যারিয়ারে ১৩ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। তিনি ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে ১৪৪টি টি–২০ ম্যাচ খেলেছেন। এতদিন সর্বোচ্চসংখ্যক শূন্য রানে আউট হওয়ার এ বিব্রতকর বিশ্বরেকর্ডটি একার দখলে থাকলেও এবার সঙ্গী হলেন সৌম্য সরকার।
কিন্তু সৌম্য সরকার ঠিক কী দিয়ে নিজেকে সান্ত্বনা দেবেন? বাংলাদেশি ওপেনারের আন্তর্জাতিক টি–২০ ক্যারিয়ারের বয়স পল স্টার্লিংয়ের অর্ধেক। ম্যাচ ও ইনিংসের সংখ্যায়ও অর্ধেক। কিন্তু শূন্য রানে আউট হওয়ার দৌড়ে এখন দুজনই সমান।
সৌম্য সরকার আন্তর্জাতিক টি–২০ক্যারিয়ারে ৮৪ ম্যাচে ৮৩ ইনিংসে ১৭.৬৯ গড়ে ১৩৯৮ রান করেছেন। শূন্য রানে ১৩ বার আউট হন। আর পল স্টার্লিং ১৪৪ ম্যাচে ১৪৩ ইনিংসে ২৭.২৭ গড়ে ৩৬০০ রান করেছেন। তিনিও শূন্য রানে আউট হয়েছেন ১৩ বার। তারা দুজনই এখন ‘আনলাকি থার্টিন’ ক্লাবের সদস্য।
এরপর ১২ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন চারজন। এর মধ্যে দুজন অপরিচিত। একজন বেশ পরিচিত এবং অন্যজন কিংবদন্তি! তারা হলেন—
ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তিনি ১৫২ ম্যাচে ১৪৪ ইনিংসে ১২ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। রুয়ান্ডার ২৪ বছর বয়সি স্পিনার কেভিন ইরাকোজ, যাকে অনেকেই চেনে না। তিনি ৭২ ম্যাচে ৫৫ ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ১২ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। আয়ারল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার কেভিন ও’ব্রায়েন ১১০ ম্যাচে ১০৩ ইনিংসে ১২ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। ঘানার ড্যানিয়েল অ্যানেফি ২০১৯ থেকে ২০২৩-এর মধ্যে মাত্র ৩৬ ম্যাচে ২৮ ইনিংসে ১২ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন।
বাংলাদেশিদের মধ্যে সৌম্যর পরে শূন্য রানে আউট হওয়া ব্যাটার হলেন—
দ্বিতীয় মুশফিকুর রহিম ৯৩ ইনিংসে ৮ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। সাকিব আছেন
১২১ ইনিংসে ৮ বার শূন্য রানে আউট ।