ঢাকা | বঙ্গাব্দ

এই বছরের বিশ্ব ডিম দিবসের প্রতিপাদ্য শক্তিশালী ডিম: প্রাকৃতিক পুষ্টিতে ভরপুর

  • আপলোড তারিখঃ 07-09-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 47970 জন
এই বছরের বিশ্ব ডিম দিবসের প্রতিপাদ্য    শক্তিশালী ডিম: প্রাকৃতিক পুষ্টিতে ভরপুর ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
ad728


 ড. মো. সাজেদুল করিম সরকার পিএইচডি (দক্ষিণ কোরিয়া)



এই বছরের (২০২৫) বিশ্ব ডিম দিবসের প্রতিপাদ্য, 'শক্তিশালী ডিম: প্রাকৃতিক পুষ্টিতে ভরপুর', বিশ্বজুড়ে মানুষের পুষ্টিতে ডিমের শক্তিশালী ভূমিকা উদযাপন করে। প্রাকৃতিকভাবে প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে সমৃদ্ধ এবং বিশ্বব্যাপী সহজলভ্য, ডিম জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা বজায় রাখার জন্য একটি নম্র কিন্তু শক্তিশালী আস্তরণের খাবার।


পটভূমি


ডিমকে বিশ্বে একটি উন্নতমানের ও সহজলভ্য আমিষজাতীয় খাদ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন (আইইসি) স্থাপিত হয় ১৯৬৪ সালে। বর্তমানে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা ৮০'র উপরে। সংস্থাটি প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, স্বাস্থ্যবান ও মেধাবী জাতি গঠন এবং সর্বোপরি ডিমের গুণাগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় প্রথম 'বিশ্ব ডিম দিবস' পালনের আয়োজন করে, যা পরবর্তী সময়ে প্রতিবছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার পালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত, বাংলাদেশ প্রভৃতি দেশসহ সারা বিশ্বের ৪০টির অধিক দেশে পালিত হয় 'বিশ্ব ডিম দিবস', যার পরিধি ও ব্যাপ্তি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।


বাংলাদেশে উদযাপন


২০১৩ সালে বাংলাদেশ অ্যানিমেল অ্যাগ্রিকালচার সোসাইটি (বিএএএস) ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত হয়। একই বছরের ১১ অক্টোবর বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পালন করা হয় 'বিশ্ব ডিম দিবসা, যা ছিল ১৮তম বিশ্ব ডিম দিবস সেই থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশে বিশ্ব ডিম দিবসা উদযাপন হয়।



উদ্‌বাসন হয়।


জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশনের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের ডিমশিল্পের উন্নয়নে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দিবসটির গুরুত্ব অনুধাবন করে ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন ও এফএওর তত্ত্বাবধানে এবং সহযোগিতায় সরকারের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের পোদিঢ় গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্প, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠান যেমন বাংলাদেশ পোল্ট্রি শিল্প কেন্দ্রীয় কমিটি (পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল-বিপিআইসিসি), বাংলাদেশ অ্যানিমেল অ্যাগ্রিকালচার সোসাইটি সহ অনেক সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের উদ্যোগে ঢাকাসহ সবগুলো বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে উৎসাহের সঙ্গে দিবসটি নিয়মিত পালন করে আসছে।


ডিম হোক ওষুধের বিকল্প


ডিম হলো আমাদের খুব পরিচিত সব রকমের পুষ্টি উপাদানে ভরপুর একটি প্রাকৃতিক খাবার। ডিমকে আমিষ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পাওয়ার হাইজ বলা হয়। সব বয়সের মানুষের জন্য ডিম অত্যন্ড উপকারী খাদ্য। তাই আমাদের সুস্থ্যতার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে একটি করে ডিম খাওয়া আবশ্যক। ডিমে প্রায় সব রকম ভিটামিন ও মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট থাকায় বিজ্ঞানীরা একে সুপারফুড হিসেবে বিবেচনা করছেন। তাই তারা শিশুসহ সব বয়সীদের বেশি পরিমাণে ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে উন্নত বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশে সুপারফুড খাওয়ার প্রবণতা কম। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, পুষ্টিহীনতার কারণে শিশুরা রাতকানা, রক্ত স্বল্পতা, গা ফোলা বা কোয়াশিওরকর রোগে ভোগে। তবে ডিমের পরিপূর্ণ উপকার পাওয়ার জন্য আমাদের নিয়ম মেনে ডিম খাওয়া দরকার। উন্নত দেশগুলোতে সকাল বেলা নাড়ার সময় মানুষ একসাথে দুইটি ডিম খেয়ে থাকে। দুটো মাঝারী আকারের ডিম একত্রে খেলে মানব দেহের জন্য দৈনিক প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি এর ৮২%, ফোলিক এসিডের ৫০%, রাইবোফ্লাভিনের ২৫% এবং সেলেনিয়ামের ৪০% এই ডিম থেকে পূরণ করা সম্ভব।


ডিম ওজন নিয়ন্ত্রণ করে


অনেক সময় ক্ষুধা বেশি থাকার কারণে আমরা বেশি খাবার খেয়ে ফেলি। প্রধানত, বেশি খাওয়ার কারণেই ওজন বৃদ্ধি পায়। কিন্তু ডিম আমাদের ক্ষুধা জমিয়ে ওজন কমতে সাহায্য করে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিম খেতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে সকালে একটি ডিম খাওয়ার মাধ্যমে শরীর থেকে দিনে প্রায় ৪০০ ক্যালরি কমানো সম্ভব। নিয়মিত সকালে ডিম খেলে মাসে প্রায় ৩ পাউন্ড ওজন কমানো সম্ভব। সকালে একটি ডিম আপনাকে সারা দিন কর্ম চঞ্চল রাখতে সাহায্য করবে। ডিম আমাদের দেহে ক্যালোরি সরবরাহের মাধ্যমে শক্তি দেয়।


ক্যানসার প্রতিরোধ ও শরীর গঠন করে ডিম


ক্যান্সার একটি মারাত্মক ব্যাধি। ডিমে থাকা ভিটামিন-ই আমাদের ত্বক এবং কোষের ফ্রি র‍্যাডিকেল ধ্বংস করে এবং ক্যানসার প্রতিরোধ করে। ছাড়াও নতুন কোষ গঠন করতে সাহায্য করে। বাড়ন্ত বয়সে কন্যা শিশুদের নিয়মিত ডিম খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। আমাদের শরীর গঠনের জন্য প্রোটিনের অন্যতম উপাদান যে নয়টি অত্যাবশ্যকিয় অ্যামাইনো এসিড দরকার তাঁর সবকটিই থাকে ডিমে। সেজন্য ডিম খেলে সম্পূর্ণ প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। বয়সজনিত কারণে অনেক সময় মাংসপেশী শিথিল হয়ে যায়, ডিমের কুসুমে যে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট লিউটিইন ও জিয়াজ্যানথিন) থাকে তা মাংসপেশীকে সুস্থ রাখে।


ডিম কোলিন ও জিংকের উৎস


আমাদের সার্বিক সুষ্ঠুতায় কোলিন গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেহে কোলিনের ঘাটতি হলে লিভারের সমস্যা হয়। ডিমে প্রায় ৩০০-৩৫০ মিলিয়াম কোলিন থাকে। তাই ডিম লিভার, কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম, স্নায়ু এবং মস্তিষ্ক ভালো রাখে। আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ডিমের ভূমিকা রয়েছে।


চোখের যত্নে ডিম


চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যপড় গুরত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান হলো ডিম। ডিমের কুসুমে থাকে ভিটামিন এ. লিউটিইন, ডিয়াজ্যানথিন এবং জিংক যেগুলে চোখের সুরক্ষায় খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান। বিশেষকরে ভিটামিন এ হলো কর্ণিয়ার জন্য সেফগার্ড। কাজেই চোখের যত্নে দৈনিক ২টি করে ডিম খাওয়া প্রয়োজন। ডিমে বিদ্যমান। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিউটিইন ও জিয়াজ্যানদিন চোখের রোগ যেমন ক্রাটার্যাক্ট ও ম্যাকুলার ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করে। তাছাড়া সিদ্ধ ডিম চোখের ছানি হওয়ার ঝুঁকি কমায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা'র (২০১৫) তথ্যমতে শতকরা ৮০ ভাগ অন্ধত্ব উপযুক্ত সময়ে চিকিৎসা ও সার্জারির মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব। বাংলাদেশের প্রায় ৪৮ শতাংশ অন্ধত্বই চোখের ছানির জন্য ঘটে থাকে। আর এর অপারেশন খরচও ততটা বেশি নয়। মানুষ অসচেতনতা এবং দারিদ্যের কারণে ছানি বয়ে বেড়ায় এবং এক পর্যায়ে এসে অবধারিতভাবে অন্ধত্ব বরণ করে।


চুল ও দাঁতের জন্য ডিম


চুল ও নখের মান উন্নত রাখতে নিয়মিত ডিম খান। কারণ ডিমের মধ্যে থাকা উচ্চ মাত্রায় সালফার চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। প্রতিদিন অত্যল্ড একটি ডিম খেলেই ১ ধরণের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, শুধু তাই নয় ডিমের নানা পুষ্টি গুণাগুন শরীরকে রাখে সতেজ ও শক্তিতে ভরপুর। ডিমে থাকা ফসফরাস হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে। I


ডিম কোলেষ্টেরল বাড়ায় না


গবেষণায় দেখা গেছে ডিম খেলে দেহে কোলেস্টেরল বাড়ে না। দিনে একটা ডিম খেলে মানুষের দেহে লিপিড প্রাফাইলে কোনো প্রভার পড়েনা। সিদ্ধ ডিমের কুসুম ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। সিদ্ধ ডিমের সাদা অংশ কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে। ডিমে বিদ্যমান কোলিন স্নায়ু ও হৃদযন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে। এটা মস্তিষ্কের মেমব্রেন ও পেশি সুগঠিত রাখতে সাহায্য করে এবং এটা স্নায়ু থেকে পেশিতে সংবেদন পৌঁছাতে সহায়তা করে।


অতিমারী ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ডিম


সারা বিশ্বে দিনের উৎপাদন বছরে প্রায় ৮০ বিলিয়ণ মেট্রিক টন। আাগাপিনা গড়েকে গড়ে প্রতি বছর ৩২০টি তিন যেয়ে থাকে। আবাদের দেশে এই সংথ্যা সে তুলনায় অনেক কন, বার্সাসে এই দেশের বিব খায় ১০৫ টি (বিপ্রলবন, ২০২০-২৪), বাংলাদেশে বলবয়ে অন্য হেলেন্যে আদিনের চেয়ে বিবের উপস্থিতি প্রতি যবে গবে। দরবে কথা, বেশি পুটিকর হওয়ায় কোষিত ১৯ এন প্রোটিন বুস্ট গাওয়াব প্রধান উপায়ই হচ্ছে কিনাওয়া। এখাদা, বিনের হাই লেয়ালিটি লোটিশ ব্লাক সুন শিয়ন্ত্রণ করে।


ডিনেন্সশিয়া ও আলকেইনার্স প্রতিমোযে তিন


তিবেশশিয়ান প্রাথমিক বিঞ্জন খুবই ধীনে হয়, এনপরি বাল জিদরা বছর যরেও হতে পানে। হুলে কারণে রোগী হতাশা, শিদ্ধাহীনতা ও অন্যান্য সমস্যায় জেলাসে এবং সমস্যায় গোসে এবং আস্তে আস্তে অল্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে গড়ে। সাদা বিশ্বে প্রায় ৫ কোটি বাদুর জিনেশশিয়ায় ভুগছে। প্রতিবছর ২০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব বিনেপশিয়া সচেতন্দতা দিবস পালন করা হয়। ভিনেগশিয়া খুবই সাধারণ একটি রোগ। ইষ্ট কে তো প্রতিদিন প্রায় ৬০০ জন্মে ভিনেগশিয়া দেখা দেয়। সেখানে পুর্বাঘদের চেয়ে শাৰীদের মধ্যে তিনেগশিয়াৰ হান হান বেশি। ৬৫ বহনেন বেশি বয়স্কদের এই ঝুঁকি বেশি, তবে এটি অপদেরও প্রভাবিত করতে গানে। কিছু নাসুদের বিবেশশিয়া হওয়ার সরাবসা বেশি থাকে, যেমন যাদের স্ট্রোক হয়েছে। যাদের বয়েছে তায়াবেটিস, উচ্চ ৰক্তচাপ, উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, বিষন্নতা ইত্যাদি। নিয়মিত মুগির বাংস ও রিমা খাওয়ার ফলে রিনপেশিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পামে ও আলঝেইমার্স রোগ হতেও মুক্তি পাওয়া যায়।


তিন বিনয়ে উন্নত দেশ ও জাগালেন তথ্য


লোকের ওগম এক গবেষণা চালিয়ে নিদ্রাণীরা বলছেন, প্রতিদিশ একটা কমে তিম খেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের যুক্তি কমতে পামে। ট্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের তথ্য মতে, দৈশিক একটি ক্ষতি নয় উপকার করে। প্রক্রিয়াজাত বাংসের চেয়ে তিন খাওয়া ভালো। আমেরিকা হার্ট অ্যাসোসিয়েশন্সের নবতে, সরাতে ৫-৬টি জিম খেলেও উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক, কোলেস্টেরলের লোগো ঝুঁকি প্রতিনোয় ক্ষেত্রে দুটো গুরত্বপূর্ণ প্রোটিন হচ্ছে IFNaphaza se macrophage CSF যান যান উপনে বিলাসীমা তাদের গবেষণায়ও প্রথম প্রোটিশটি আাগাম প্রতিরোধী এবং দ্বিতীয়টি ক্ষতিগ্রস্ত টিপুকে সারিয়ে তুলতে সাহায্য কাম। বিরাগীরা বলবেন, এই ওষুধের একটি রোজ তৈরি করতে নাম প্রিন্সটি তিনই যথেয়। (প্রতিশদমা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটেন, ২০১৬)


তিন থেকে শারীরিক উপকার পেতে হলে স্বাস্থ্যসম্মত জীবস্যাগণ করতে হবে। তবে একসময় যে বলা হতো রাগসেরী গড়তে পুটিবন বাল বিলেনে তিন ধাওয়া পরিয়াদ বিশে কমতে হবে। ক্রমাগতভাবে তিন খাওয়াম পরিমাণ বাহন বহন বাড়লেও তা সপেল্পমরক্ষক নয়। ইন্নাত বাংলাদেশের মাসুদের স্বাস্থ্যবাণ মেধাবী রসগোতী সমতে পুষ্টিরম খাদ্য হিসেবে তিন খাওয়ার পরিনত বিণে করতে হবে এমামেন বিশ্ব তিন দিবসে (১০) সারার এদের দিন যাওযান সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধিসহ বাংলাদেশ রাশি সম্পদ


লখক পরিচিতি। সিএসও এবং সান বাধাগ। গোষ্ট্র মিলায় সেখান, প্রকল্প পরিচালক পোল্ট্রি গবেষণা এ উন্নয়ন জোরদার প্রকল্প


নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ admin

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা কি কাজ করবে?